Bolly Tolly News,kolkata 15th AUGUST,2018: 72তম স্বাধীনতা দিবসে সকাল সকাল আমরা বেরিয়ে
পরলাম মাননীয় শ্রী সায়নদেব চট্টোপাধ্যায় ও তারঁ অনুগামী
ছাত্রনেতা মহম্মদ সাব্বির আলি মহাশয়ের সাথে।প্রথমেই আমরা
পৌছে যাই যোগেশ চন্দ্র কলেজে। ওখানে ওনাদের মত দুই ব্যাক্ত্যিত্বকে
কাছেপেয়ে খুবই উৎসাহিত হয়ে ওঠে এবংতাদেরঁকে সাদরে গ্রহণ
করে নিয়ে যায় পতাকা উত্তোলন স্হানে।এরপর, কলেজের তৃণমূল
ছাত্র পরিষদের তরফ থেকে শ্রী সায়নদেব চট্টোপাধ্যায় মহাশয়কে অনুরোধ
জানানো হয় কলেজ ছাত্রছাত্রীদের উদ্দেশ্যে কিছু বক্তব্য রাখার জন্যে।
পরলাম মাননীয় শ্রী সায়নদেব চট্টোপাধ্যায় ও তারঁ অনুগামী
ছাত্রনেতা মহম্মদ সাব্বির আলি মহাশয়ের সাথে।প্রথমেই আমরা
পৌছে যাই যোগেশ চন্দ্র কলেজে। ওখানে ওনাদের মত দুই ব্যাক্ত্যিত্বকে
কাছেপেয়ে খুবই উৎসাহিত হয়ে ওঠে এবংতাদেরঁকে সাদরে গ্রহণ
করে নিয়ে যায় পতাকা উত্তোলন স্হানে।এরপর, কলেজের তৃণমূল
ছাত্র পরিষদের তরফ থেকে শ্রী সায়নদেব চট্টোপাধ্যায় মহাশয়কে অনুরোধ
জানানো হয় কলেজ ছাত্রছাত্রীদের উদ্দেশ্যে কিছু বক্তব্য রাখার জন্যে।
বক্তব্যের শুরু করার আগে তিনি তারঁ প্রতিটি শিক্ষক শিক্ষিকাকে তারঁ সশ্রদ্ধ্য প্রণাম জানান।
তারপর বক্তৃতা শুরু করেন।বক্তৃতার মাধ্যমে তিনি চলে যান বেশ কয়েক বছর আগের স্মৃতিচারনায়।
2003 সালে তারঁ কলেজ জীবনের কিছু কথা তুলে ধরেন।বর্তমানে তিনি রাজনৈতিক জগৎ এর একজন
খ্যাতনামা ব্যক্তিত্য হওয়া সত্বেও তিনি তারঁ পুরোনো বন্ধুবান্ধবদের মনে রেখেছেন এবং তারঁ বক্তৃতার মধ্যে
উঠে আসে সেই প্রিয় নামগুলি যেমন – অর্ঘ্য, অর্পণ, নীল প্রমুখ। এছাড়াও তিনি তারঁ পুরোনো
শিক্ষক - শিক্ষিকাদের নামও উল্লেখ করেন এবং তাদেঁর সঙ্গে কাটিয়ে আসা মূল্যবান সময়ের কথা বলেন।
বক্তৃতার শেষে তিনি সবাইকে জানান যে – “আগে যেভাবেতিনি ও তারঁ বন্ধুগণ যেভাবে কলেজের, কলেজের
ছাত্রছাত্রী ও শিক্ষক – শিক্ষিকাদের পাশে ছিলেন ঠিক সেইভাবেই ভবিষ্যতেও থাকবেন।”
এরপর আমরা পৌছে যাই Calcutta Club এর উদ্দেশ্যে। সেখানেও আমরা দেখতে পাই মানুষের মনে তারঁ
প্রতি ভালোবাসা। তাদেরঁকে কাছে পেয়ে সেখানকার মানুষদের মুখে ফুটে ওঠে উৎসাহ ও আনন্দ।
সেখানে তিনি আমাদের রাষ্ট্রীয় জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন এবং সেখানে উপস্হিত সকল মানুষের
সঙ্গে গেয়ে ওঠেন আমাদের জাতীয় সঙ্গীত। এবং সেখান থেকে বিদায় জানিয়ে আমরা পৌছে যাই বিজয় পুর
রোডে অবস্হিত ‘ফ্রেন্ডস অ্যাসোসিয়েসান ক্লাব’, ‘হিন্দুস্হান ক্লাব’, ক্যামাকস্ট্রীট প্যান্টালুন্স প্রভৃতি জায়গায়।
প্রতি ভালোবাসা। তাদেরঁকে কাছে পেয়ে সেখানকার মানুষদের মুখে ফুটে ওঠে উৎসাহ ও আনন্দ।
সেখানে তিনি আমাদের রাষ্ট্রীয় জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন এবং সেখানে উপস্হিত সকল মানুষের
সঙ্গে গেয়ে ওঠেন আমাদের জাতীয় সঙ্গীত। এবং সেখান থেকে বিদায় জানিয়ে আমরা পৌছে যাই বিজয় পুর
রোডে অবস্হিত ‘ফ্রেন্ডস অ্যাসোসিয়েসান ক্লাব’, ‘হিন্দুস্হান ক্লাব’, ক্যামাকস্ট্রীট প্যান্টালুন্স প্রভৃতি জায়গায়।
এরপর আমরা দেখি স্বাধীনতা দিবসের হাজার ব্যস্ততার ফাকেঁ সময় বের করে পৌছে যান পার্কলেনের
পার্ক ক্রিকেট ক্লাবে। এখানে আমরা দেখতে পাই ক্লাব দ্বারা আয়োজিত দুদিন ব্যাপি নকআউট ট্যুরনামেন্টে
অংশগ্রহণকারী প্রতিটি যুব ফুটবলারদের উৎসাহিত করতে।
পার্ক ক্রিকেট ক্লাবে। এখানে আমরা দেখতে পাই ক্লাব দ্বারা আয়োজিত দুদিন ব্যাপি নকআউট ট্যুরনামেন্টে
অংশগ্রহণকারী প্রতিটি যুব ফুটবলারদের উৎসাহিত করতে।
সর্বশেষে আমরা পৌছে যাই মহম্মদ সাব্বির আলির পাড়ায়। সেখানে উপস্হিত প্রতিটি মানুষ তাদেঁরকে ঘরের
ছেলের মত আপ্যায়ণ করে কাছে টেনে নেন। এবং তিনি সেখানে উপস্হিত গুরুজনদের থেকে অনুমতি নিয়ে
আমাদের দেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন তারপর সকল মানুষের সঙ্গে গেয়ে ওঠেন জাতীয় সঙ্গীত।
ছেলের মত আপ্যায়ণ করে কাছে টেনে নেন। এবং তিনি সেখানে উপস্হিত গুরুজনদের থেকে অনুমতি নিয়ে
আমাদের দেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন তারপর সকল মানুষের সঙ্গে গেয়ে ওঠেন জাতীয় সঙ্গীত।
তারপর আমরা দেখতে পাই তিনি এবং মহম্মদ সাব্বির আলি মহাশয় সকল ছাত্রছাত্রীদের পুস্তক ও পোশাক
বিতরণ করছেন এবং ছোটো ছোটো বাচ্ছাদের হাতে তুলে দিচ্ছেন খেলনার সামগ্রী। এই সুন্দর মুহূর্তে
দুজনেরই মুখে ফুটে ওঠে এক অমূল্য হাসি।
বিতরণ করছেন এবং ছোটো ছোটো বাচ্ছাদের হাতে তুলে দিচ্ছেন খেলনার সামগ্রী। এই সুন্দর মুহূর্তে
দুজনেরই মুখে ফুটে ওঠে এক অমূল্য হাসি।
সবশেষে একটা কথা বলতে হয় ওনার প্রতিটি বক্তৃতায় বিভিন্ন মনীষীদের প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধ্যা জানানোর পাশাপাশি উনি বারংবার ভারতীয় সেনাবাহিনী, রাজ্যের পুলিশ প্রশাসন কেও শ্রদ্ধা জানাতে ভোলেননি।
শ্রী সায়নদেব চট্টোপাধ্যায় ও মহম্মদ সাব্বির আলির মানুষকে ভালোবেসে আপন করে নেওয়া, প্রতিটি শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিকে শ্রদ্ধার্পণ করার অভ্যেস তাদেরকে প্রতিটি মানুষের কাছে শুধু খুব কাছেরই নয় ঘরের ছেলে করে তুলেছে।
Reported By : Shouvik Halder
Photography By : Avijit Pal
Comments